![]() |
| ফেজবুক লাইভে এসে স্ত্রীকে জবাই করে খুন ভিটিও টি দেখুন |
ভিডিওটি নিচে দেওয়া আছে ----
*যে কারণে ফেসবুক লাইভে এসে স্ত্রীকে জবাই করল স্বামী
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা করেছে স্বামী। টুটুল ভূঁইয়া নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুর সোয়া একটার দিকে লাইভে এসে এমন নৃশংস দৃশ্যের অবতারণা করে অভিযুক্ত স্বামী। এই ঘটনার পর স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। তার পুরো নাম ওবায়দুল হক টুটুল ভুইয়া। নৃশংসতার শিকার নারীর নাম তাহমিনা আক্তার।
ভিডিওতে দেখা যায়, খুন করার আগে টুটুল বলছিল, একজনের জন্য তার পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছে। ৮ মাস বয়সে তার মেয়েকে রেখে চলে যায় সে। তার সারাজীবন ধ্বংস হয়ে গেছে তার স্ত্রীর জন্য এমন দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করতে করতে এক পর্যায়ে স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে টুটুল। কোপানোর পরপরই নিস্তেজ হয়ে যান ভুক্তভোগী নারী।
এরপরই টুটুল বলতে থাকে, সে এখন শেষ। আপনারা আমার বাবা-মা ও এতিম মেয়েকে দেখে রাখবেন। এই খুনের সাথে তিনি নিজেই জড়িত এবং অন্য কেউ এরসাথে সংশ্লিষ্ট নয়, এমনটা বলতে থাকেন তিনি। লাইভ ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা ছিল, “সবাই আমাকে ক্ষমা করবেন। আমার বাবা-মা, ভাই-বোন ও অনাথ মেয়েটার খেয়াল করবেন”।
খুন করার লাইভ ভিডিওর পর, একটি মেয়েকে নিয়ে আরেকটি ভিডিও পোস্ট করে টুটুল ভুইয়া। সেখানে তার দাবি, তার মেয়ের যখন ৮ মাস বয়স তখন সে (তার স্ত্রী) ছেড়ে চলে যায়। এখন আবার সে ফেরত এসেছে। তার পুরো পরিবার ব্ল্যা’কমেইল করে অনেক সমস্যায় ফেলেছে। বাচ্চা মেয়েটাকে অনেক নির্যাতন করা হয়েছে। এরপর তিনি নিজেও আত্মহ’ত্যার ইঙ্গিত দেয় ওই ভিডিওতে। তবে খু’ন করার লাইভ ভিডিওটি ঘণ্টাখানেক পর আর টুটুলের প্রোফাইলে পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনার পরপরই টুটুলকে ফেনীর বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। ফেনী সদর থানার ওসি আলমগীর বলেন, হত্যায় অভিযুক্ত টুটুল ভুইয়ার বাড়ি ফেনী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাড়াঈপুর এলাকায়। টুটুল ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে কাজ করতো। সন্তানদের নিয়ে তার স্ত্রী বাড়িতেই থাকতো।
টুটুল পুলিশকে জানিয়েছে, সে ঢাকায় থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী তাহমিনা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এটা নিয়ে তাদের মধ্যে ঝামেলা হয়। তাহমিনার বাড়ি থেকে টাকা চেয়ে মানসিক হয়রানি করা হতো বলে দাবি করেন টুটুল। আটকের পর টুটুল পুলিশের কাছে খুনের কথা স্বীকার করে। পুলিশ জানিয়েছে, টুটুলের প্রোফাইলে লাইভ ভিডিও তারা পায়নি। তবে, তার পোস্টগুলো যাচাই-বাছাই চলছে। নিহতের স্বজনরা মামলা করলে এ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।
যতই অন্যায় করুক তবুও মানুষ এতো নিষ্ঠুর হয় কীভাবে। আল্লাহ আমরা এখন কোন দুনিয়ায় বসবাস করি। আমার ধারনা মতে লোকটি একা জরিত না কেননা আমার মনে হনে হচ্ছে তার ফ্যামেলী এই হত্যাকন্ডে জরিত তাই তিনি প্রমান করার জন্য ফেজবুক লাইভে এসে ভিডিও টি করেছে। প্রসাসন তদন্ত করলে সবকিছু বেরিয়ে আসবে। পরকিয়া খুব খারাপ একটা জিনিস, সব মেয়ে এবং ছেলে যারা বিবাহিত, এবং যারা বিয়ে করেন নাই, পরবর্তী তে কখনও এমন কাজ করবেন না, তাহলে হয়তো আপনাকে লাইভে এসে কুপিয়ে মারতে পারে, আপনার স্বামী অথবা স্ত্রী! অতিষ্ট হয়ে ও এই কাজ টা করছে, এবং সেই নিজের দোষ স্বীকার করেছে, এবং সাথে এইটাও বলেছে, যে খুনের সাথে কারো হাত নেই, ওর জন্য যেন ওর মা বাবা এবং বাচ্ছা কে কোন রকম কষ্ট না দেয়।
ভিডিওটি দিলাম না, কারণ ভিডিও দেখে আমি নিজেও কেপে ছিলাম।

